মোঃ লুৎফুর রহমান

প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক
জামিয়াতু লুৎফুর রহমান আল ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও
ব্যাংকার
উত্তরা ব্যাংক পিএলসি, প্রধান কার্যালয়
ট্রেজারী ডিভিশন, ব্যাক অফিস, মতিঝিল, ঢাকা।

My Specialities

আমার পরিচয়

ব্যাংকার, উত্তরা ব্যাংক পিএলসি, ব্যাক অফিস, ট্রেজারি বিভাগ, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা।

জামিয়াতু লুৎফুর রহমান আল ইসলামিয়া মাদ্রাসা।

 

আমার সাথে যোগাযোগ করুন

 

জামিয়াতু লুৎফুর রহমান আল ইসলামিয়া মাদরাসা

“জামিয়াতু লুৎফুর রহমান আল ইসলামিয়া মাদরাসা” একটি ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা জনাব মোঃ লুৎফুর রহমান সাহেব সদকায়ে জারিয়া, নেক আশায়, পরকালে মুক্তির আশায় নিজস্ব ‍উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত

জুবেদা খাতুন হিফজুল উলূম মাদরাসা

জুবেদা খাতুন হিফজুল উলূম মাদরাসার প্রতিষ্ঠা কোনো সাময়িক উদ্দেশ্যে নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদী দ্বীনি ও সামাজিক কল্যাণে অবদান রাখার এক মহৎ প্রয়াস। এর মূল উদ্দেশ্য কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে শিক্ষিত, আদর্শবান ও আল্লাহভীরু প্রজন্ম গঠন করা।

মদিনাতুল উলূম নাছিমা আক্তার কওমী মহিলা মাদরাসা

"মদিনাতুল উলূম নাছিমা আক্তার কওমী মহিলা মাদরাসা" কেবল একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই নয়; এটি একটি living dream, একটি ongoing project of hope। আমরা আপনাকে আমন্ত্রণ জানাই এই পবিত্র শিক্ষা আন্দোলনের অংশ হতে, যাতে আমারা সবাই মিলে গড়ে তুলতে পারি একটি জ্ঞানভিত্তিক, আলোকিত ও নৈতিকতাসম্পন্ন সমাজের ভিত। মোট কাথা ইসলামী বিজ্ঞান শেখানো, হিফজ করা, চরিত্র গঠন, আধুনিক দক্ষতা দেওয়া, দাঈ ও শিক্ষিকা তৈরি করা এবং একটি নিরাপদ শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা। مَدْرَسَةُ الْمَدِينَةِ الْعِلْمِيَّةِ نَاصِمَةٍ آخْتَارَ الْأَهْلِيَّةِ لِلْبَنَاتِ نَحْنُ نَبْنِي الْعُقُولَ وَالْأَخْلَاقَ

শিহাব বই ঘর

“আমি এখন পর্যন্ত একজন প্রগতিশীল প্রযুক্তি শিক্ষার্থী । অধ্যয়নরত: কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE), University of Development Alternative (UODA) সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ থেকে জেএসসি ও এসএসসি উভয় পরীক্ষাতেই জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হই। উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তি হই সরকারি গুরুদয়াল কলেজ, কিশোরগঞ্জ-এ এবং এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৪.৮২ অর্জন করি। বর্তমানে আমি অধ্যয়নরত আছি বাংলাদেশের অন্যতম স্বনামধন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় University of Development Alternative (UODA)-তে, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE) বিভাগে।

ভাটি সাভার দক্ষিণ পাড়া বায়তুর রহমান জামে মসজিদ

আমরা এলাকাবাসী মিলে একমাত্র আল্লাহর সন্তুুষ্টির আশায় ও দলবদ্ধভাবে নামাজ পড়ার জন্য একটি মসজিদ নির্মান করার উদ্যোগ গ্রহণ করি, যথারীতি সম্পত্তি দলিলাদির মধ্যমে ওয়াক্ফ করি এবং এর নামকরন করা হয় - “ভাটি সাভার দক্ষিণ পাড়া বায়তুর রহমান জামে মসজিদ”।

উত্তরা ব্যাংক পিএলসি, প্রধান কার্যালয়

সিনিয়র কনসালট্যান্ট এবং বিভাগীয় প্রধান ব্যাংকার, উত্তরা ব্যাংক পিএলসি। ব্যাক অফিস, ট্রেজারি বিভাগ, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা।

My Schedule

  • Institution

  • Appointment Number

  • Time

  • জামিয়াতু লুৎফুর রহমান আল ইসলামিয়া মাদরাসা

  • +8801999911633

  • শুক্রবার ও শনিবার

  • মদিনাতুল উলূম নাছিমা আক্তার কাওমী মহিলা মাদারাসা

  • (Friday -Saturday): 04:00 PM-6 PM

  • জুবেদা খাতুন হিফজুল উলূম মাদরাসা

  • (Friday- Satarday): 07:00 PM to 08:00 PM

  • ভাটি দক্ষিণ পাড়া বাইতুর রহমান জামে মসজিদ

  • +8809696396154

  • (Fariday - Satarday):7:00 pm -10 PM

  • মাদরাসার ছাত্রদের দায়িত্ব

    মাদরাসার ছাত্ররা ভবিষ্যতে সমাজে দ্বীনের দাওয়াত পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করবে। তাই তাদের উচিত এই মহিমান্বিত রাতের মর্যাদা উপলব্ধি করা এবং অন্যদেরও এই রাতের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করা। ছাত্রদের জন্য বিশেষভাবে প্রয়োজন— নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত করা ইবাদতে মনোযোগী হওয়া গুনাহ থেকে দূরে থাকা ইসলামের আদর্শ অনুযায়ী জীবন গঠন করা
    Md Biplob Hossain
    Ceo , Brand by Biplob
    🕌 মাদরাসার ছাত্রদের করণীয় প্রিয় ছাত্র ভাইয়েরা, এই মহিমান্বিত রাতগুলোতে আমাদের কিছু বিশেষ আমল করা উচিত— 1️⃣ বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করা 2️⃣ নফল নামাজ ও তাহাজ্জুদ আদায় করা 3️⃣ আল্লাহর কাছে আন্তরিকভাবে দোয়া করা 4️⃣ বেশি বেশি ইস্তিগফার করা 5️⃣ দরুদ শরীফ পড়া
    Aslam Hakim
    Engineer
    ✨ আমাদের প্রস্তুতি কেমন হওয়া উচিত? ১. নিয়তকে বিশুদ্ধ করা ২. গুনাহ থেকে তওবা করা ৩. নামাজে যত্নবান হওয়া ৪. কুরআন তিলাওয়াতের পরিকল্পনা করা ৫. দান-সদকার ব্যবস্থা গ্রহণ করা
    Jewel Ahmmed
    Private Job
    🕌 ইবাদতের বসন্তকাল রমাদানে রয়েছে— ফরজ রোজা তারাবিহ নামাজ তাহাজ্জুদ ও নফল ইবাদত দান-সদকা ও যাকাত ইতিকাফ লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান রাসূলুল্লাহ ﷺ রমাদানে অন্য সময়ের তুলনায় অধিক ইবাদত ও দান-সদকায় অগ্রসর হতেন। 💖 আত্মশুদ্ধির মাস রমাদান আমাদের শেখায়— ক্ষুধা ও তৃষ্ণার মাধ্যমে ধৈর্য দরিদ্রের কষ্ট অনুভব গীবত, মিথ্যা ও পাপ থেকে বিরত থাকা অন্তরকে হিংসা-বিদ্বেষ থেকে পরিশুদ্ধ করা
    Nur Alom Khokon
    Job

    প্রশ্ন ও উত্তর

    মুফতি হাফেজ মোঃ তাজুল ইসলাম

    اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ وَالصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ عَلٰى رَسُوْلِ اللّٰهِ প্রিয় মুসল্লীবৃন্দ, মনে রাখতে হবে—ইসলাম কাউকেই চিরতরে বাতিল করে না। কাফের হোক বা মোনাফেক—উভয়ের জন্যই তাওবার দরজা খোলা আছে, যতক্ষণ জীবন আছে। আল্লাহ তা‘আলা চান আমরা খাঁটি ঈমানদার হই—লোক দেখানো নয়, প্রদর্শন নয়; বরং আল্লাহকে ভয় করে জীবন পরিচালনা করি। আমাদের আমল যেন আমাদের ঈমানের সাক্ষ্য দেয়।

    মুফতি হাফেজ মোঃ তাজুল ইসলাম

    নবী ﷺ বলেন— “মোনাফেকের তিনটি লক্ষণ: কথা বললে মিথ্যা বলে, ওয়াদা করলে ভঙ্গ করে, আমানত রাখা হলে খেয়ানত করে।” (বুখারি ও মুসলিম) সুতরাং আমাদের উচিত নিজের ঈমান ও আমল যাচাই করা—আমি কি শুধু মুখে মুসলমান, নাকি অন্তরে ও কাজে মুসলমান?

    হাফেজ মোঃ আবু রায়হান

    اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ وَالصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ عَلٰى رَسُوْلِ اللّٰهِ প্রিয় মুসল্লীবৃন্দ, মনে রাখতে হবে—ইসলাম কাউকেই চিরতরে বাতিল করে না। কাফের হোক বা মোনাফেক—উভয়ের জন্যই তাওবার দরজা খোলা আছে, যতক্ষণ জীবন আছে। আল্লাহ তা‘আলা চান আমরা খাঁটি ঈমানদার হই—লোক দেখানো নয়, প্রদর্শন নয়; বরং আল্লাহকে ভয় করে জীবন পরিচালনা করি। আমাদের আমল যেন আমাদের ঈমানের সাক্ষ্য দেয়। আসুন, আমরা সবাই আল্লাহর কাছে দোয়া করি— হে আল্লাহ! আমাদের নিফাক থেকে হেফাজত করুন। হে আল্লাহ! আমাদের ঈমানকে খাঁটি করুন। হে আল্লাহ! আমাদের অন্তর ও আমলকে মিলিয়ে দিন।

    হাফেজ মোঃ আবু রায়হান

    إِنَّ اللّٰهَ يَأْمُرُ بِالْعَدْلِ وَالْإِحْسَانِ … (আয়াত) নিশ্চয়ই আল্লাহ ন্যায়বিচার, সদাচরণ ও আত্মীয়স্বজনকে দানের নির্দেশ দেন এবং অশ্লীলতা, অন্যায় ও জুলুম থেকে নিষেধ করেন। فَاذْكُرُوا اللّٰهَ يَذْكُرْكُمْ وَاشْكُرُوْهُ وَلَا تَكْفُرُوْنَ

    হাফেজ মোঃ আবু রায়হান

    নবী ﷺ বলেন— “মোনাফেকের তিনটি লক্ষণ: কথা বললে মিথ্যা বলে, ওয়াদা করলে ভঙ্গ করে, আমানত রাখা হলে খেয়ানত করে।” (বুখারি ও মুসলিম) সুতরাং আমাদের উচিত নিজের ঈমান ও আমল যাচাই করা—আমি কি শুধু মুখে মুসলমান, নাকি অন্তরে ও কাজে মুসলমান?

    মুফতি মোঃ তাজুল ইসলাম

    প্রিয় মুসল্লীবৃন্দ, আজ আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ আকীদাগত বিষয়ে আলোচনা করবো—ইসলামের দৃষ্টিতে মোনাফেক ও কাফের—এই দুই শ্রেণির মধ্যে কার অবস্থান কতটা গ্রহণযোগ্য। ইসলামে কাফের হলো সেই ব্যক্তি, যে প্রকাশ্যে ইসলামের সত্য অস্বীকার করে। সে মুসলমান বলে দাবি করে না, বরং স্পষ্টভাবে নিজের অবস্থান জানিয়ে দেয়। অন্যদিকে মোনাফেক হলো সেই ব্যক্তি, যে মুখে ঈমানের দাবি করে, কিন্তু অন্তরে কুফরি লুকিয়ে রাখে এবং সুযোগ পেলে ইসলাম ও মুসলমানদের ক্ষতি সাধন করে। কুরআন মাজিদে আল্লাহ তা‘আলা মোনাফেকদের সম্পর্কে অত্যন্ত কঠোর ভাষায় সতর্ক করেছেন। আল্লাহ বলেন: “নিশ্চয়ই মোনাফেকরা জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে থাকবে।”

    Md. Luthfur Rahman

    যোগাযোগ

    Send any message to this WhatsApp number: +8801915496154

    জামিয়াতু লুৎফুর রহমান আল ইসলামিয়া মাদরাসা

    একটি দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

    মাদরাসার পরিচিতি ও আমাদের সম্পর্কেঃ

    গ্রামের নাম ভাটি সাভার। ঐতিহ্যবাহী ময়মনসিংহ জেলার বৈশিষ্ট্য মন্ডিত নান্দাইল উপজেলার অন্যতম ৩নং নান্দাইল ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী একটি গ্রাম। ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহা সড়কের পার্শ্বে অর্থাৎ নান্দাইল প্রবেশ করার প্রায় ২ কিঃ মিঃ পশ্চিমে ভাটি সাভার গ্রাম অবস্থিত। এই গ্রামের যাতায়াত ব্যাবস্থা অনেক ভালো।এই গ্রামে বহু খ্যাতিমান মনীষী জন্ম গ্রহণ করেন I আদমশুমারি মতে এই গ্রামের জনসংখ্যা-৪৫১০ জন, এই গ্রামের অধিকাংশ লোক মুসলমান।আর এই মুসলমানদের শিক্ষাব্যবস্থার সূচনা হয় আল্লাহর বাণী- “পড় তোমার প্রভুর নামে যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন” (সূরা: আলাক, আয়াত-১)। মসজিদে নববীতে অবস্থিত ‘সুফফা’ হলো ইসলামের প্রথম শিক্ষাকেন্দ্র বা বিশ্ববিদ্যালয়। রাসূল (সা:) ছিলেন প্রথম শিক্ষক এবং সাহাবিগণ প্রথম ছাত্র। সেখান থেকেই ইসলামী শিক্ষার ইতিহাস শুরু হয়। আর ইলমই হলো আল্লাহর কাছে মর্যাদা বৃদ্ধির প্রথম উপায়। আল্লাহ বলেন, “তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে এবং যাদেরকে ইলম বা জ্ঞান প্রদান করা হয়েছে তাদের মর্যাদা আল্লাহ বাড়িয়ে দেবেন” (সূরা: মুজাদালা, আয়াত- ১১)। ইলম শিক্ষা করার জন্য পথচলা, হাঁটা, কষ্ট করা ইত্যাদিও ইবাদত। এগুলোর মর্যাদা আল্লাহর কাছে অত্যন্ত বেশি। (বুখারি, মুসলিম)। আল্লাহ সুবহানু তা’য়ালা অশেষ মেহেররানীতে ইলম ও আমলের মাধ্যমে মুসলিম জনসাধারনের মধ্যে ইসলামী জিন্দেগীর সহিহ্ নমুনা পেশ করার জন্য উপযুক্ত শিক্ষাদানের ব্যবস্থা করার নিমিত্তে জামিয়াতু লুৎফুর রহমান আল ইসলামিয়া মাদরাসা ঘটিত হয়। 

     

    প্রতিষ্ঠাতা মোঃ লুৎফুর রহমান ১৯৬৯ সালে ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০ শে শাওয়াল ১৩৮৯ হিজরী, ১৫ ই পৌষ ১৩৭৬ বাংলা, বুধবার দিন ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল থানার কুলধুরুয়া গ্রামে নানার (মরহুম আছির উদ্দিন ভুইয়া) বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একজন  সম্ভ্রান্ত ও ঐতিহ্যবাহী মুসলিম পরিবারের সন্তান, তিনি আলহাজ্ব মোঃ আরজ আলী এবং এবং আলহাজ্বা মোছাম্মাৎ রাবেয়া খাতুন এর ২য় পুত্র। তাহার দাদা মোঃ বাহাদুল আলী মুন্সী , তার বাবা মোঃ সাধু শেখ, তাহার বারা মোঃ ভেঙ্গা ভুইয়া, তাহারা সবাই সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি ছিলেন। মোঃ লুৎফুর রহমান এর প্রাথমিক শিক্ষা বাড়িতেই শুরু হয়। গৃহ শিক্ষকদের কাছে তিনি আরবি, ইংরেজী এবং বাংলা ভাষা শিক্ষা লাভ করেন। পরে তিনি ১৯৭৭ সালে তিনি পাঁচানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণীতে ভর্তি হন। ১৯৮০ সালে তিনি পাঁচানী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ম শ্রেণীতে ভর্তি হন এবং  ১৯৮৫ সালে মোঃ লুৎফুর রহমান এস.এস.সি. পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ন হন। মোঃ লুৎফুর রহমান তাঁর প্রখর স্মৃতিশক্তির কারণে শিক্ষকদের খুবই স্নেহভাজন ছিলেন।এস.এস.সি. পাশ করার পর উচ্চ শিক্ষা লাভের জন্যে তিনি কিশোরগঞ্জে গুরদয়াল সরকারি কলেজে ভর্তি হন এবং ১৯৮৭ সালে গুরুদয়াল সরকারি কলেজে থেকে এইচ.এস.সি. পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। এইচ.এস.সি. পাশের পর সারা জীবনের লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে ভর্তি হলেন, স্বনামধন্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এ। সেখান থেকেই দর্শন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।প্রতিটি মানুষের কাছে তার জন্মভূমি বা নিজের গ্রাম খুবই প্রিয়। ঠিক তেমনি প্রতিষ্ঠাতা মহোদয়ের নিকটও গ্রাম সবচেয়ে প্রিয় ও পবিত্র। এই ছায়াঘেরা মায়াময় পরিবেশে প্রতিষ্ঠাতা সাহেবের শৈশব কেটেছে। এ গ্রামের মানুষ দিয়েছে আদর, স্নেহ ও ভালোবাসা। শিক্ষায় অনগ্রসর একটি গ্রামের মানুষকে শিক্ষার আলো পৌছেঁ দেওয়ার তাগিদ অনুভব করেন।

     

    পৃথিবীর বুকে যুগ পরম্পরায় যে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে সেগুলোর মাঝে অন্যতম ও সর্বোত্তম প্রতিষ্ঠান হচ্ছে কওমী মাদ্রাসা। যার নির্মাতা ও প্রতিষ্ঠাতা হলেন মহান স্রষ্টা স্বয়ং আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এর পক্ষ থেকে প্রেরিত মানবতার মহান অগ্রদূত হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। যার অমীয় সূধা পান করে তৃপ্ত হয়েছেন হযরত ইবনে আব্বাস রাঃ, হযরত ইবনে মাসউদ রাঃ, হযরত আবু হুরায়রা রাঃ। সৃষ্টি হয়েছেন হযরত ইমাম আবু হানিফা, ইমাম শাফেয়ী, ইমাম মালিক, ইমাম আহমদ রাহিমাহুমুল্লাহু আলাইহিম প্রমুখ আইম্মায়ে কেরাম।কওমী মাদ্রাসা প্রকৃত আদর্শ মানব তৈরীর সুনিপুণ কারখানা। যে কারখানা থেকে তৈরী হয়েছেন হযরত ইমাম গাজালী, মুহাদ্দিসে দেহলভী, মুহাজিরে মাক্কী রাহিমাহুমুল্লাহু আলাইহিম এর মত বিখ্যাত ব্যক্তিরা। যারা জাতির ক্রান্তি লগ্নে ইংরেজ বেনিয়াদের হাত থেকে ধর্ম দেশ ও জাতিকে বাঁচাতে গড়ে তুলেন “দারুল উলূম দেওবন্দ” মাদ্রাসা এবং দারুল উলূম দেওবন্দকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে হাজার হাজার কওমী মাদ্রাসা।

    “জামিয়াতু লুৎফুর রহমান আল ইসলামিয়া মাদরাসা” একটি ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা জনাব মোঃ লুৎফুর রহমান সাহেব সদকায়ে জারিয়া, নেক আশায়, পরকালে মুক্তির আশায় নিজস্ব ‍উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত। তাহার একনিষ্ঠ পরিশ্রমে দ্বীনি তা’লীম ও তারবিয়াতের মানোন্নয়ন ও সমাজের সর্বত্র প্রয়োজনীয় দ্বীনি জ্ঞান পৌছানোর মাধ্যমে সমাজ হতে নিরক্ষরতা ও মূর্খতা দুরীকরণের খিদমত আঞ্জাম দিতে ময়মনসিংহ জেলার অন্তর্গত নান্দাইল থানাধীন ৩নং নান্দাইল ইউনিয়নের ভাটি সাভার গ্রামে অবস্থিত। ২০২২ ঈ. সনে অত্র মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। সেই থেকে অদ্যাবধি এ প্রতিষ্ঠানটি দেশ ও জাতির দ্বীনি খেদমত আঞ্জাম দিয়ে আসছে। আলহামদুলিল্লাহ, মাদরাসাটি তার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে শিক্ষাদানের পাশাপাশি আরো বহুমুখী খেদমত আঞ্জাম দিয়ে আসছে – ✪হিফজ রিভিশান ✪ কওমি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান✪ মদিনাতুল উলূম নাছিমা আক্তার কওমী মহিলা মাদ্রসা ✪ স্কুলভিত্তিক নূরানী শিক্ষা প্রকল্প ✪বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ✪ সাধারণ মেহমানখানা ✪বাইতুল হিকমাহ্ সমাজ কল্যান পাঠাগার (পাবলিক লাইব্রেরী)✪হজ্ব প্রশিক্ষণ কর্মশালা ✪বয়স্ক ও বয়স্কা নূরাণী কোরআন শিক্ষা প্রকল্প ✪মুআল্লিম ও মুআল্লিমা (শিক্ষক/শিক্ষিকা) প্রশিক্ষণ কর্মশালা ✪তাবলীগ ইত্যাদি ধর্মীয় ও সামাজিক কাজের আঞ্জাম দিয়ে আসছে।

    ভিশন (Vision)

    ইসলামী শিক্ষাদান – যা আল কোরআন, রাসুল (সা.) হাদিস, জীবনাদর্শ ও সাহবায়ে কেরাম গনের শিক্ষাদানকারী আদর্শ, কওমী মাদরাসা সমূহের নেসাব অনুসারে আরবী, বাংলা, ইংরেজী, উর্দু, ফার্সী ভাষায় জ্ঞানার্জন অথবা ইসলাম প্রচারে সহায়ক ও পরিপূরক হবে।
    কুরআন ও সুন্নাহ্র ভিত্তিতে সহিহ আকিদাহ লালন করতঃ দারুল উলূম দেওবন্দের আদলে একটি বেসরকারী ইসলামী শিক্ষালয় পরিনত করে কাওম ও মিল্লাতের হেফাজত, দ্বীনের প্রচার-প্রসার, শিরক-বিদআদ উচ্ছেদ করতঃ আল্লাহর একত্ববাদ ও সুন্নতে নববী প্রতিষ্ঠা করা।
    ইলম ও আমলের মাধ্যমে মুসলিম জনসাধারণের মধ্যে ইসলামী জিন্দেগীর সহীহ নমুনা পেশ করার জন্য উপযুক্ত শিক্ষাদানের ব্যবস্থা যাতে পরস্পর মুহাব¦ত, হামদার্দী ও দয়ার মনোভাব পয়দা হবে এবং যাতে জাতির উন্নতিকল্পে আতœত্যাগের প্রেরণা ইসলামী পরিবেশ, ইসলামী জীবন ব্যবস্থা ও জাতীয় সংহতি প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ পয়দা হয়।
    জনসাধারণের মধ্যে ইসলামের প্রচার (তাবলীগ) ও শিক্ষাদানের (তা’লীম) জন্য উপযুক্ত উস্তাদ, আলীম-হাফিজ, ক্বারী, মুবাল্লিগ ও দ্বীনের খাদেম তেরী করা এবং তাদেরকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জাতির খিদমতের উপযোগী করে গড়ে তোলা।
    দ্বীনি তা’লীম ও তারবিয়াতের মানোন্নয়ন সমাজের সর্বত্র প্রয়োজনীয় দ্বীনি জ্ঞান পৌছানোর মাধ্যমে সমাজ হতে নিরক্ষরতা মূর্খতা দুরীকরণের খিদমত আঞ্জাম দান।
    “একটি আলোকিত, নৈতিক ও ঈমানদার প্রজন্ম গঠন, যারা কুরআন ও সহিহ সুন্নাহর আলোকে জীবন পরিচালনায় পারদর্শী হবে এবং সমাজে ইসলামী আদর্শ ছড়িয়ে দেবে।”

    মিশন (Mission)

    (ক) উক্ত প্রতিষ্ঠান আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত তথা মাযহাবের অনুসারী ও দেওবন্দী বুযুর্গানে দ্বীনের মতাবলম্বী হবে।
    (খ)উপরোক্ত আদর্শের সংরক্ষণ ও হিফাজত করা মাদরাসার প্রত্যেক সদস্য, শিক্ষক-ছাত্র, কর্মচারী ও মাদরাসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলের পবিত্র দায়িত্ব।
    (গ)কোন শিক্ষক-ছাত্র, কর্মচারীর জন্য, প্রচলিত রাজনীতি বা এমন সব সংগঠন এবং সভা-সমিতিতে যোগদান করা নিষিদ্ধ যা মাদরাসার আদর্শ, উদ্দেশ্য ও স্বার্থের পরিপন্থি।
    (ঘ) মুসলমানদের সন্তান ও তাদের দানকৃত যাবতীয় আমানতের যথাযত হেফাজত করা।
    (ঙ) শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের লক্ষ্য হবে দ্বীনি খেদমত।
    (চ) শিক্ষার্থীদের কুরআন মাজীদ হিফজ ও তাজবিদসহ শিক্ষা দেওয়া।
    (ছ) সহিহ হাদীসভিত্তিক আকীদা ও আমল শেখানো।
    (জ) ইসলামী জ্ঞানের পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার সহিত যুগোপযোগী সমন্বয় ঘটানো।
    (ঝ) সমাজে দ্বীনের প্রচার ও ইসলামী নেতৃত্ব তৈরি করা।

    আমাদের মাদরাসার বৈশিষ্ট্য সমূহঃ

    * হক্কানী উলামায়ে কেরামের সরাসরি তত্বাবধানে পরিচালিত।
    * মনোরম পরিবেশে মানসম্মত পাঠদান পদ্ধতি।
    * পূর্ণাঙ্গ ইসলামী জীবন ও পরিচ্ছন্ন চরিত্র গঠনে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান।
    * আদর্শ অভিজ্ঞ ও দায়িত্বশীল এবং প্রশিক্ষিত শিক্ষক মন্ডলীদ্বারা শিক্ষাদান।
    * নূরানী পদ্ধতিতে মাত্র চার মাসের মধ্যেই হিফজুল কুরআন বিভাগে ভর্তি সম্পন্ন।
    * কিন্ডার গার্ডেন ও নূরানী পাঠ্য পুস্তকের সমন্বয়ে জেনারেল শিক্ষক দ্বারা বাংলা, ইংরেজী, অংক, ভূগোল, ইতিহাস ও সাধারণ জ্ঞান শিক্ষা দেয়া হয়।
    * আরবী, বাংলা ও ইংরেজী হস্ত লিখন সুন্দর করানো।
    * ক্লাশের পড়া ক্লাশে আদায়ের ব্যবস্থা এবং ক্লাসের পড়া ক্লাসেই শিখানো হয় তাই প্রাইভেট পড়ানো প্রয়োজন পড়ে না।
    * এতিম-গরীব ও মেধাবীদের জন্য শর্ত সাপেক্ষে ফ্রি অধ্যায়নের সুযোগ রয়েছে।
    * উন্নত ব্যবস্থাপনায় আর্ন্তজাতিক মানসম্পন্ন আধুনিক হিফয মাদ্রাসা।
    * একটি ইন্টারন্যাশনাল শিক্ষা ভিশন।
    * সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র কার্যক্রম।
    * মনোরম ও নিরিবিলি পরিবেশ এবং বাৎসরিক অবিভাবক সম্মেলন।
    * আধুনিক শিক্ষা, আলোকিত মানুষ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়াই আমাদের দৃঢ় অঙ্গিকার।
    * অভ্যন্তরীন খেলাধুলার ব্যবস্থা ও শিক্ষা সফর।
    * নকল মুক্ত পরীক্ষা।
    * গ্রন্থগারের সুবিধা।